Be the best version of you!

আমরা সব সময় একটা বৃত্তে থাকি। চার পাশের মানুষ ও তথ্য দ্বারা। বৃত্তের বাহিরে সবাই আসতে পারেনা, যারা পারে তারাই নর্মাল ভালো চেয়ে বেশি ভাল কিছু করে। বৃত্তটা ক্যামন? একটা সহজ উদাহরণ দেই- ওয়ার্ডপ্রেস, অ্যান্ড্রয়েড, ফ্রিল্যান্সিং, ক্লায়েন্ট প্রজেক্ট – এই বৃত্তে আমরা আটকে গেছি।

বিগিনারদের জন্য আমার জাভা/অ্যান্ড্রয়েড টিউটোরিয়াল আছে, অ্যান্ড্রয়েড লাইম ব্লগ আছে, ক্যারিয়ার রিলেটেড লেখাও আছে। বিগিনারদের নিয়ে কাজ করতেই ভালো লাগে বেশি, এদের জন্যই সেমিনারে ডাকলে চলে যাই। এরপর এরা নিজেরাই চাইলে এক্সপার্ট হতে পারে। বিগিনারকে বিগিনে সাহায্য করা যায়, কিন্তু এক্সপার্ট হতে সাহায্য করা কঠিন কেননা এক্সপার্ট হতে নিজে নিজেকেই সাহায্য করতে হয়।

পৃথিবীর অন্যদেশগুলো প্রযুক্তি বানায়, আর আমরা সেগুলার কিছু জিনিস শিখেই শেষ! নিজেরা যে বানাতে পারি, এই চিন্তা আমরা এখনো করতে শিখিনি, আমরা বৃত্ত থেকে বাহির হতে পারিনি।

আমার এক স্টুডেন্ট, ডুয়েটে পড়ে। আমাকে একদিন জিজ্ঞেস করে, ভলি টাইপের লাইব্রেরি ও বানাতে পারবে কিনা। আমি একটু অবাক হইলাম, যেখানে অন্যরা চিন্তায় থাকে এটার ইমপ্লিমেন্টেশানে, সেখানে ও ভাবছে ভিন্ন ভাবে। ওর ভাবনাটা সঠিক বলেই আমার মনে আছে কথাটা এখনো। এই ভাবনাগুলোই নিয়ে যায় বৃত্তের বাহিরে।

নেক্সট ১০-২০ বছর, Ai, Bi, IoT, Big data এর দখলে যাবে বলে আমার ধারনা। আসলে অনেকের ধারনা। সেখানে আমরা এখনো পড়ে আছি ১০/১২ বছরের পুরান প্রযুক্তিতে। এটা যে খারাপ তাও না। তবে গতদিন একটা ছবি দেখলাম, মাইকেল ফিলেপ্স এর। ভদ্রলোক জগত সেরা অ্যাথলেট, বিরাট সাঁতারু। সে সাঁতার কাটছে, সামনেই তাকিয়ে আছে, তার লক্ষ্য হচ্ছে ‘জয়’ এর দিকে। তার পাশের জন্য তাকিয়ে আছে, তার দিকে। আমরা অন্যের দিকে তাকিয়েই সময় কাটিয়ে ফেলি।

জুমশেপারের অফিসে সুন্দর করে লেখা আছে, Be the best version of you! – ছবিতে দেখেছি অনেকে। ফোকাস নিজের দিকে হোক, ভবিষ্যত প্রযুক্তির দিকে হোক, পাশের জনের দিকে না! নিজের সেরা ভার্শন হই, অন্যের লাইফে ঢুকে নিজের বারটা না বাজাই। তবেই বৃত্তের বাহিরে যাবো আমরা।

Mosharrof Rubel

আমাকে ফেসবুকে পাবেন এখানেঃ মোশাররফ রুবেল

You may also like...