প্রেজেন্টেশান হচ্ছে একটা আর্ট

presentation
প্রেজেন্টেশান আগে প্রচুর ভয় লাগতো। CELF নামে আমাদের একটা কোর্স ছিলো। ঐ কোর্সে প্রতিদিন কিছু না কিছু নিয়ে বলতে হত সবার সামনে। ভয়টা ওখান থেকেই কাটতে শুরু করে। কিছুদিন একটা কল সেন্টারে কাজ করেছি। কানাডিয়ানদের পটাতে হত ওভার ফোন। ওটাও বড় একটা পার্ট প্লে করেছে প্রব্লেমগুলা কাটাতে।
 
সামনে যারা বসে আছে আগে ওদের দেখলে সব শুকায়ে যেত ভেতরে। এখন ভালোই লাগে। আমি সবার চোখের দিকে তাকাই। এরপর যখন ক্লাস নিতে শুরু করি তখন বাই অটো চয়েসে প্রেজেন্ট করায় ঢুকে পড়ি।
 
প্রেজেন্টেশান তৈরী করার সময় একটা ছোট্ট জিনিস মাথায় রাখলেই হয়, সামনের অডিয়েন্স তোমার রোল, সেকশন এগুলা জানতে আসেনা, ফোন নাম্বার, ইমেইল নাম্বার জানতে আসেনা। প্রথমে টপিকের নাম বল্লেই অটোমেটিক তার মাথায় প্রশ্ন আসে এটা কি? এটা কি কাজ করে? পরের স্পীচে সেটার উত্তর থাকা উচিত। এরপর হচ্ছে, যে অডিয়েন্সে আছে সে ভাব্বে এটা থেকে আমার লাভ কি? বা আমি জেনেই বা কি করবো? সো, তার মনের সেই প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়। ট্রাস্ট মি, এরপর অডিয়েন্সে যে আছে সে বিরক্ত হবেনা, আপনিও মজা পাবেন, কনফিডেন্স বাড়বে।
 
ক্লাস নেয়া বা প্রেজেন্টেশানের সময় মজার/ফানি কিছু জিনিস পত্র থাকা ভালো। এতে সামনে বসা লোকজন মজা পায়। তবে এগুলা বলে নিজে হাসা যাবেনা। হাসলেও কম, ওদের হাসতে দিতে হবে। কিছু লোক আছে হাহাহাহহাহা… করে নিজেই হাসতে থাকে, ওদের মত না করলেই ভালো আর কি 😛
 
আই কন্টাক্ট বড় ব্যপার 😉 সুন্দরী রমনী থাকলে বুকের ভেতর ধড়ফড় করে উঠতে পারে, কিন্ত হার্টরে বুঝাতে হবে বাবা এটা কিছুনা, ফোকাস রাখ, চোখের দিকে তাকা তাহলে সহজেই অডিয়েন্স কানেক্টেড থাকবে হার্টের সাথেই 😉
 
নির্ভয়, আই কন্টাক্ট, ইনফরমেটিভ স্পীচ, অডিয়েন্সের মনের সম্ভাব্য প্রশ্নের উত্তর সময় মত দেয়া – এগুলাই ভালো প্রেজেন্টার হতে সাহায্য করে 🙂

Mosharrof Rubel

আমাকে ফেসবুকে পাবেন এখানেঃ মোশাররফ রুবেল

You may also like...