ন্যাশনাল মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন অ্যাওয়ার্ড ইভেন্ট ও তা নিয়ে কিছু কথা

সবাইকে সালাম।
প্রথমেই কপি পেস্ট নিউজ,
দেশের সেরা মোবাইল কন্টেন্ট ও উদ্ভাবনী অ্যাপ্লিকেশন নির্মাতাদের পুরস্কৃত করলো সরকার। শনিবার (১৮ এপ্রিল) রাজধানীর খামারবাড়িতে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে আায়োজিত ‘জাতীয় মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন পুরস্কার ও ডেভেলপার সম্মেলন-২০১৫’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে ৭টি ক্যাটাগরিতে ১৫টি সেরা মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের নির্মাতা ডেভেলপারের হাতে অ্যাওয়ার্ড তুলে দিয়েছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ। জমকালো এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে সহস্রাধিক ডেভেলপারের মহাসম্মেলনে দেশ সেরা এসব ডেভেলপারকে সর্বমোট ১০,৫০,০০০ টাকার পুরস্কার ও বিশেষ সম্মাননা স্মারক দেওয়া হয়।

 

national mobile apps award program bangladesh

এই অনুষ্ঠানের ভালো দিক,
– এমন অনুষ্ঠানে গেলে আমি ব্যক্তিগতভাবে উতসাহিত হই। কাজ করার ইনিস্পায়ারেশন পাই। তাই কষ্ট হলেও বসে শুনি।
– মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন যে ফিউচার এটা যে সরকারী পর্যায়ের লোক বুঝতে পারে এই ব্যপারটা প্রচন্ড ভালো লাগে। আইসিটি ডিভিশনের সচিব বা প্রোগ্রাম ডিরেক্টর যারাই আছেন এরা এই ব্যপারগুলাকে এত গুরুত্ব দেয় ভাবাই যায়না। ট্রেইনার হওয়ার সুবাদে এদের কয়েক জনের সাথে আলাপ করা সুযোগ হয়েছে। প্রচন্ড ভালো লাগা কাজ করে।
– যে অ্যাপ্লিকশনগুলো পুরুষ্কায় পায় সেগুলা থেকে অনুপ্রেরনা নেয়া যায়। ফিউচারে আপনারা কি অ্যাপ্লিকশন বানাবেন তা এখান থেকেই বুঝে নিতে পারেন।
– যারা বক্তৃতা দেয় তারা আমার মত না, তারা অনেক অভিজ্ঞ। চলেছেন জীবনের অনেক পথ, শিখেছেন অনেক কিছু। সেগুলা শুনে যাতে আমরা ভুল না বরং সঠিক পথে যেতে পারি তা তাদের কাছেই শিখবো।
– ভালো দিকগুলার মধ্যে আরো একটা ছিলো, মোস্তফা সরওয়ার ফারুকী, মুন্নি সাহা ও অনন্ত জলিল। এরা প্রযুক্তির লোক না বরং মিডিয়ার লোক। এদের উপস্থিতি বাড়লেই বাড়বে প্রচার। আর প্রচারেই প্রশার।
– যারা কষ্ট করে অ্যাপ্লিকশন বানায় তারা স্বীকৃতি পায়। এটা খুব ভালো একটা ব্যপার। ছেলে বিয়ে করাতে গেলে মেয়ের বাপকে দিন ব্যপি বুঝাতে হবেনা ছেলে কি করে। এসব প্রসারেই তারা এগুলা সম্পর্কে জানবে।
– সব ডেভেলপারদের দেখা হয়, আড্ডা হয়। অভিজ্ঞতা বিনিময় হয়। নতুন সৃষ্টির অনুপ্রেরনা আসে।

 

national mobile apps award program bangladesh 2

অনুষ্ঠানে অডিটোরিয়ামে সবাই

 

কম ভালো দিক,
– এই প্রোগ্রামের কম ভালো দিকের মধ্যে একটা, কোম্পানীগুলো যে অ্যাপ বানায় আর একজন ফ্রিল্যান্স ডেভেলপার যে অ্যাপ বানায় কিংবা একজন স্টুডেন্ট যে অ্যাপ বানায় তার মধ্যে অনেক পার্থক্য থাকে। তাই এই ক্যাটেগরিগুলাকে সর্ট করে পুরষ্কিত করলে তা আরো ইফেক্টিভ হবে বলে আমার ধারনা।
– এসব প্রজেক্টগুলা বা অ্যাপ্লিকেশনগুলোকে জাতীয়ভাবে ব্যবহারের কোন উদ্দ্যেগ থাকেনা। যাদি তা হয় তাহলে গন মানুষের অনেক উন্নয়নে আসবে।
– কারো বানানো ছোট কিন্তু অতি দরকারী অ্যাপ্লিকেশনগুলোকে সরকার পরিচর্যা করতে পারে। মার্কেটিং করে ছড়িয়ে দিতে পারে সারা দেশে।
আশা করি চাওয়াগুলো অতি নিকটেই সত্য হবে।
আর হ্যাঁ এই প্রোগ্রামের প্রোমো ভিডিওতে আমার টিমের একটা অ্যাপ্লিকেশন বার বার দেখাচ্ছিলো জায়ান্ট স্ক্রিনে। যেটা অনেক আনন্দের ছিলো। ভিডিওটা নিচে। আমাদের ৭ মার্চ অ্যাপ্লিকেশন।

সবাই ভালো থাকুন।

আরো পড়ুনঃ ভিডিও টিউটোরিয়ালে শিখুন জাভা!

Mosharrof Rubel

আমাকে ফেসবুকে পাবেন এখানেঃ মোশাররফ রুবেল

You may also like...

Leave a Reply