যে বিষয়গুলো উঠে আসলো অ্যান্ড্রয়েড ডেভেলপার্স বাংলাদেশ এর মিটআপে

গতকাল ১৭জুন, ২০১৪ তারিখে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাকিত সম্মেলন কেন্দ্রে হয়ে গেলে অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপর্সদের মিটিং ও আলোচনা। মিট আপে ৩০জন ডেভেলপার অংশগ্রহণ করেন।

 

আন্ড্রয়েড ডেভেলপার্স বাংলাদেশ

আন্ড্রয়েড ডেভেলপার্স বাংলাদেশ

বিকেল চারটার কিছু সময় পর শুরু হয় অনুষ্ঠান যেখানে অ্যান্ড্রয়েড ডেভেলপার ও ট্রেইনার শুভ্র পাল, সাব্বির আহমেদ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন।
মূলত যে বিষয়গুলা উঠে আসে আলোচনা থেকে তা সংক্ষেপে নিচে আলোচনা করা হল,
১/ ডেভেলপারদের এসোসিয়েশানঃ বাংলাদেশের ডেভেলপারদের ফিউচার, কোয়ালিটি ও অধিকার আদায়সহ নানা সমস্যার সমাধানে সবাই ডেভেলপারদের একটি এসোসিয়েশান করার ব্যপারে এক মত পোষণ করেন।
২/ নতুনদের সহযোগিয়তাঃ সবাই একসময় নতুন ডেভেলপার ছিলেন ধীরে ধীরে অভিজ্ঞতা সম্পুর্ন হয়েছেন। পারষ্পারিক সহযোগিতা করে নতুন ডেভেলপারদের সহযোগিতা করার ব্যপারে সবাই এক মতে পৌঁচান।
৩/ টেকনিক্যাল সেশনঃ সিনিয়র ডেভেলপাররা নতুনদের শেখানোর জন্য মাঝে মাঝে টেকনিক্যাল সেশন করার ব্যপারে একমত হন। এতে অভিজ্ঞ ডেভেলপাররা নিজেদের জ্ঞান শেয়ার করবেন নতুন ও মিড লেভেলের ডেভেলপারদের মাঝে। এ ব্যপারে স্পেস দিয়ে সহযোগিতার কথা জানান ডেভেলপার তারেকুল ইসলাম মুকুল।
৪/ প্লে স্টোর সমস্যার সমাধানঃ বাংলাদেশ প্লে স্টোর রিজনে কোয়ালিটি অ্যাপ বলতে তো কিছু নেই বরং আজে বাজে অ্যাপে ভর্তি। খারাপ অ্যাপগুলোর ব্যপারে ব্যবস্থা নেওয়া ও ভালো অ্যাপ আনার ব্যপারে করণীয় করতে সবাই একমতে পৌঁচান।
৫/ কোয়ালিটি অ্যাপ কিভাবে আনা যাবেঃ কোয়ালিটি অ্যাপ ডেভেলপ করার ব্যপারে ডেভেলপার ও আয়োজক সাব্বির আহমেদ বলেন, ” আপনি একজন স্মার্ট ফোনের অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপার। স্মার্ট ফোনের ফিচার (যেমন জিপিএস, মেমরি, অ্যালার্ম) এসব ব্যহার করে অ্যাপ ডেভেলপ করতে পারেন। শুধু ডাটা শো করিয়ে ভালো অ্যাপ আনা সম্ভব না, সেগুলা মানুষ ওয়েব ব্রাউজারেও পড়তে পারবেন। ” এছাড়াও কোয়ালিটি অ্যাপ বানাতে ডেভেলপারদের মধ্যে আলোচনা করে সবাই সবাইর সাথে আইডিয়া শেয়ারের ব্যপারে একমত হন।
৬/ক্ল্যায়েন্ট সমস্যার সমাধানঃ ডেভেলপার লিও ক্লায়েন্ট সমস্যাগুলো তুলে আনেন। যেখানে সেইম অ্যাপ কেউ ২০ হাজার টাকায় বানাচ্ছে কেউ ৫ হাজার টাকায় বানাচ্ছে। এতে ডেভেলপারদের সম্মানী ও কাজের মান নিচের দিকে যাচ্ছে। ডেভেলপার আসোসিয়েশান করার মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধানে আসা যায় বলে সবাই একমত হৌন।
৭/ রেভেনিউঃ অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপ করে কিভাবে রেভেনিউ আসা যায়, কি কি উপায়ে আসে, সেগুলোর ক্ষেত্রে কোনটা বেশি ভালো হবে এসব ব্যপারেও আলোচনা হয় প্রায় ২ ঘন্টার মিটআপে।

 

পরিশেষে সবাই ভালো কিছুর প্রত্যাশা নিয়ে যান এবং প্রায় এমন মিটাপ করার ব্যপারে দাবি জানান।

 

আরো পড়ুনঃ ক্যারিয়ার হিসেবে অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট 

Mosharrof Rubel

আমাকে ফেসবুকে পাবেন এখানেঃ মোশাররফ রুবেল

You may also like...

Leave a Reply