অ্যান্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট শুরুর আগে

সবাইকে সালাম।
কিভাবে শুরু করবো? এই প্রশ্নটা প্রায়ই শুনা লাগে। চেষ্টা করবো আজকে এই প্রশ্নটার উত্তর দিতে।
অ্যান্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট যে বিষয়টা প্রিরিকুয়েজিট, তা হচ্ছে জাভা প্রোগ্রামিং। আপনাকে অবশ্যই জাভা প্রোগ্রামিং এ ভালো হতে হবে। শুধু জানলে হবেনা, বেশ ভালো হতে হবে ভালো এ্যাপ্লিকেশন বানানোর জন্য। অনেকেই বলে থাকে প্রোগ্রামিং নলেজ ছাড়াও এ্যাপ্লিকেশন বানানো যায়। হ্যাঁ কথাটা সত্যি। বানাতে পারবেন, তবে লং রানে এটা মঙ্গলময় কিছু বা ভালো ক্যারিয়ার হতে পারবেনা। তাই এটা অত্যাবশকীয় যে আপনি ভালোভাবে জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ জানবেন। না জানলে শিখে নিবেন। জাভার অব্জেক্ট অরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং সুবিধা সম্পর্কে ক্লিয়ার কন্সেপ্ট থাকতে হবে।  তাহলেই ভয়ানক সব ভালো এ্যাপ্লিকেশন বানানো সম্ভব।
 
১২ মিনিটে বানান আপনার প্রথম অ্যাপঃ


 

android apps dev
জাভা প্রোগ্রামিং জ্ঞান ছাড়া যে এ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপ করা যায় তাতে নর্মালি ওয়েব ডেভেলপিং জ্ঞান কাজে লাগানো হয়। সো, সেক্ষত্রে আপনার রেস্পন্সিভ ওয়েব ডিজাইনিং এর উপর খুব ভালো দক্ষতা থাকতে হবে। আরো স্পেসেফিকভাবে যদি বলি,
– HTML
– CSS
– JavaScript
এগুলোর উপর বেশ হাই লেভেলের দক্ষতা থাকতে হবে।
অ্যান্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট এর জন্য আরো একটা ব্যপার লাগে সেটা হচ্ছে এক্সএমএল (XML) ডিজাইনিং। সেটা বেশ সোজা একটা ব্যপার। অনেকটা এইচটিএমএল (HTML) এর মত, তাই সেটা সহজেই রপ্ত করা যাবে। আমরা অ্যান্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশনে ভিউতে যা দেখি( ভিউ ) তা মূলত এক্সএমএল দিয়ে ডিজাইন করা হয়।

যে ব্যপারটা আমরা ইগনোর করে যাই বা গুরুত্ব কম দেই তা হচ্ছে ডিজাইনিং সেন্স। আমাদের ডিজাইনইং সেন্স অবশ্যই চমৎকার হতে হবে। মানুষ প্রথমেই আপনার এ্যাপ্লিকেশন খুলে ফার্স্ট লুকে যেন প্রেমে পড়ে যায় সেই কাজটাই করতে হবে। ব্যক্তিগতভাবে আমি এ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট এর শুরুর দিকে ডিজাইনিং এর উপর নজর দিতাম না যার জন্য পরবর্তিতে অনেকেই কথা শুনাইসে। আশা করি আপনাদের কথা শুনতে হবেনা 😛

শুরু করতে কি কি টুলস লাগবেঃ
– JDK ( Java Development Tools )
– ADT ( Android Development Toools )  অথবা Android Studio
গুগলে সার্চ করলেই এগুলা পাওয়া যায়। ডাউনলোড করে ইনিস্টল করে নিবেন। কেউ যদি বলে সার্চ করে দেন তার ডেভেলপমেন্টে আসা উচিত না, কেননা যে একটা সফটওয়ার ডাউনলোড করতে পারবেনা ( অবশ্যই আলসেমির কারনে ) সে ডেভেলপমেন্টে আর কতদূর যাবে! আর পোর্টেবল হলে ইনিস্টিল করা লাগবেনা, ডাউনলোড করেই ব্যবহার শুরু করবেন। পরের ধাপ হচ্ছে, এই টুলসগুলো ডাউনলোড করে  কোড লেখা শুরু করা। সেটা নিয়ে বিস্তারিত আর্টিকেল লিখবো। তাই এখানে দিলাম না আর কিছু।

মানষিক প্রস্তুতিঃ
বাংলাদেশে মোবাইল এ্যাপ্লিকেশন মার্কেট এখনো রাইসিং। তবে আমরা অবশ্যই ভালো দিকে যাচ্ছি। ডেভেলপার হিসবে শুরুর দিকে স্ট্রাগল করতে হবে। অনেক কিছু হোচট খেয়ে শিখতে হবে। তাই মানষিক প্রস্তুতি নিয়ে রাখতে হবে। অর্ধেক গিয়ে ছেড়ে দিলে হবেনা। আর সর্বাত্বক সহযোগিয়ার জন্য অ্যান্ড্রয়েড লাইম আপনার পাশে থাকবে আশা করছি।

আজ এই পর্যন্ত।
আর পড়তে পারেনঃ ক্যারিয়ার হিসেবে অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট

Mosharrof Rubel

আমাকে ফেসবুকে পাবেন এখানেঃ মোশাররফ রুবেল

You may also like...

Leave a Reply